বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ দলের ভারত ভ্রমণে স্থগিতাদেশ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এর।

বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ দলের ভারত ভ্রমণে স্থগিতাদেশ বাংলাদেশ ক্রিকেট  বোর্ড এর 

                                                               image source  - getty images

webDesk,bangabarta.in, ৪ জানুয়ারি ২০২৬: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘোষণা করেছে যে, তারা ২০২৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে অংশ নিতে ভারতের উদ্দেশে দলের ভ্রমণ স্থগিত করেছে। বিসিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতির কারণে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা এবং সুস্থতার বিষয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।বিসিবি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, "বাংলাদেশ সরকারের পরামর্শ অনুযায়ী এবং বর্তমান পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে বিসিবির বোর্ড পরিচালকরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল আগামী ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের জন্য যাত্রা করবে না।"

এই সিদ্ধান্তের পর, বিসিবি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এর কাছে একটি আনুষ্ঠানিক আবেদন জানায়, যাতে বাংলাদেশ দলের ম্যাচগুলো ভারত ছাড়াও অন্য কোনো স্থানে আয়োজন করা হয়।বিশ্বকাপের ম্যাচগুলি কলকাতা এবং মুম্বাইয়ের মতো ভারতীয় শহরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, যেখানে বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচ খেলবে ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে।

বিসিবির এই সিদ্ধান্তের পেছনে একটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা রয়েছে, যা হলো কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত। বিসিসিআইয়ের তরফ থেকে কেকেআরকে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছাড় দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়, তবে তাদের পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা বা রাজনৈতিক কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

বিসিবি জানায়, তারা শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশ দলের ম্যাচগুলো আয়োজনের জন্য আইসিসির কাছে আবেদন করেছে। ২০২৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ ভারত এবং শ্রীলঙ্কা একসাথে আয়োজন করবে, তবে তা কতটা সম্ভব হবে তা এখনো পরিষ্কার নয়।বিশ্বকাপের সময়সূচি এবং প্ল্যানিং এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে, কারণ ম্যাচ স্থানান্তরের ফলে নতুন নানা সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে, যা পুরো টুর্নামেন্টের আয়োজন প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করতে পারে।

বিসিবি স্পষ্টতই তাদের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা এবং দেশের সম্মান রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর। বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, “আমরা আমাদের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের আপস করতে পারি না। আমরা আইসিসির সাথে আলোচনা চালিয়ে যাব, এবং পরিস্থিতি পরিবর্তিত না হলে অন্য কোনো বিকল্প ভেন্যুতে ম্যাচগুলো আয়োজনের চেষ্টা করবো।”বিসিবি ও আইসিসির মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে যে খুব শীঘ্রই এই ইস্যুর একটি সমাধান হবে।




একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ